একজন নেটওয়ার্কার পঞ্চাশ ঘন্টার কাজ এক ঘন্টায় করেন।
"The power of duplication"
"The power of duplication"
কিভাবে?
চলুন অালোচনা করা যাক।বন্ধুরা হেমন্তের এই সন্ধ্যায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। অামরা যতটা সময় কাজ করি তার রিটার্ন বা পারিশ্রমিক পাই।একদিনে অামরা চব্বিশ ঘন্টার বেশি কাজ করতে পারিনা কিন্তু পাওয়ার অব ডুপ্লিকেশন মেথড ব্যবহার করে এই চব্বিশ ঘন্টা কাজ করে একদিনে পাচঁশ ঘন্টার রিটার্ন বা পারিশ্রমিক নিতে পারেন।এটা নেটওয়ার্ক ইন্ডাস্ট্রিতে সম্ভব। ভাবছেন পাগল হয়ে গেলাম নাকি, না। সত্যি বলছি।একজন নেটওয়ার্কার সাধারণ মানুষের পঞ্চাশ ঘন্টার কাজ এক ঘন্টায় করে থাকেন। একটি উদাহরণ দিলে অাপনি ঠিকই বুঝতে পারবেন। ধরুন,অাপনি একটি গার্মেন্টস ফেক্টরির মালিক,অাজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাচঁটা। ফেক্টোরি ছুটি দিয়েছেন, কর্মিরা বাড়ি চলে গেছে। কিন্তু বিদেশ থেকে বাইয়ার ফোন করে বললো অাগামী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে অাপনাকে অাপনার গার্মেন্টসের এক হাজার কর্মিকে নিয়ে মিটিংয়ের অায়োজন করতে হবে।
কিভাবে করবেন, মোবাইলে ফোন করবেন। ওকে ডান।প্রত্যেক কর্মির সাথে যদি তিন মিনিট করে কথা বলেন তাহলে সময় লাগবে (১০০×৩)= ৩০০০মিনিট।
৩০০০÷৬০= ৫০ ঘন্টা
কিন্তু অাপনার হাতে সময় অাছে সেই চব্বিশ ঘন্টাই। গতানুগতিক পদ্ধতিতে অাপনার পক্ষে মিটিং এর অায়োজন করা সম্ভব হচ্ছেনা। অাসুন নেটওয়ার্কার অাপনি হলে কি করবে দেখে নেই। সে চারজন বড়কর্তাকে ফোন দেবে প্রত্যেককে তিন মিনিট করে ফোন করলে সময় লাগবে ১২ মিনিট। চারজনই প্রত্যেকে চারজন তিন মিনিট করে ১৬ জনকে ফোন দিতে সময় লাগবে সেই ১২ মিনিট। এভাবে করে হাজারের বেশি লোককে ফোনে দাওয়াত করতে সময় লাগবে মাত্র এক ঘন্টা। নিচের অংকটি দেখুনঃ
৪জন×৩= ১২ মিনিট
৪×৪= ১৬ জন= ১২ মিনিট
১৬×৪= ৬৪ জন= ১২ মিনিট
৬৪×৪=২৫৬ জন= ১২ মিনিট
২৫৬×৪=১০২৪জন=১২ মিনিট।
-------------------
১০২৪ জন= ৬০ মিনিট। অর্থাৎ এক ঘন্টা।
সুতরাং গতানুগতিক পদ্ধতির ৫০ ঘন্টার কাজ নেটওয়ার্কােরর জন্য এক ঘন্টার কাজ।তাইজন্যে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ কম সময়ে প্রচুর টাকা কামাই করা যায়।
চলুন অালোচনা করা যাক।বন্ধুরা হেমন্তের এই সন্ধ্যায় অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। অামরা যতটা সময় কাজ করি তার রিটার্ন বা পারিশ্রমিক পাই।একদিনে অামরা চব্বিশ ঘন্টার বেশি কাজ করতে পারিনা কিন্তু পাওয়ার অব ডুপ্লিকেশন মেথড ব্যবহার করে এই চব্বিশ ঘন্টা কাজ করে একদিনে পাচঁশ ঘন্টার রিটার্ন বা পারিশ্রমিক নিতে পারেন।এটা নেটওয়ার্ক ইন্ডাস্ট্রিতে সম্ভব। ভাবছেন পাগল হয়ে গেলাম নাকি, না। সত্যি বলছি।একজন নেটওয়ার্কার সাধারণ মানুষের পঞ্চাশ ঘন্টার কাজ এক ঘন্টায় করে থাকেন। একটি উদাহরণ দিলে অাপনি ঠিকই বুঝতে পারবেন। ধরুন,অাপনি একটি গার্মেন্টস ফেক্টরির মালিক,অাজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাচঁটা। ফেক্টোরি ছুটি দিয়েছেন, কর্মিরা বাড়ি চলে গেছে। কিন্তু বিদেশ থেকে বাইয়ার ফোন করে বললো অাগামী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে অাপনাকে অাপনার গার্মেন্টসের এক হাজার কর্মিকে নিয়ে মিটিংয়ের অায়োজন করতে হবে।
কিভাবে করবেন, মোবাইলে ফোন করবেন। ওকে ডান।প্রত্যেক কর্মির সাথে যদি তিন মিনিট করে কথা বলেন তাহলে সময় লাগবে (১০০×৩)= ৩০০০মিনিট।
৩০০০÷৬০= ৫০ ঘন্টা
কিন্তু অাপনার হাতে সময় অাছে সেই চব্বিশ ঘন্টাই। গতানুগতিক পদ্ধতিতে অাপনার পক্ষে মিটিং এর অায়োজন করা সম্ভব হচ্ছেনা। অাসুন নেটওয়ার্কার অাপনি হলে কি করবে দেখে নেই। সে চারজন বড়কর্তাকে ফোন দেবে প্রত্যেককে তিন মিনিট করে ফোন করলে সময় লাগবে ১২ মিনিট। চারজনই প্রত্যেকে চারজন তিন মিনিট করে ১৬ জনকে ফোন দিতে সময় লাগবে সেই ১২ মিনিট। এভাবে করে হাজারের বেশি লোককে ফোনে দাওয়াত করতে সময় লাগবে মাত্র এক ঘন্টা। নিচের অংকটি দেখুনঃ
৪জন×৩= ১২ মিনিট
৪×৪= ১৬ জন= ১২ মিনিট
১৬×৪= ৬৪ জন= ১২ মিনিট
৬৪×৪=২৫৬ জন= ১২ মিনিট
২৫৬×৪=১০২৪জন=১২ মিনিট।
-------------------
১০২৪ জন= ৬০ মিনিট। অর্থাৎ এক ঘন্টা।
সুতরাং গতানুগতিক পদ্ধতির ৫০ ঘন্টার কাজ নেটওয়ার্কােরর জন্য এক ঘন্টার কাজ।তাইজন্যে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ কম সময়ে প্রচুর টাকা কামাই করা যায়।